রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর:
পদ্মা নদী থেকে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার বাফুফে সভাপতিকে সম্মাননা স্মারক দিয়েছে গোয়ালন্দ ফুটবল একডেমী বাফুফে’র এক তারকা সনদপত্র পেল গোয়ালন্দ ফুটবল একাডেমী স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের আলোচনা মহিলা পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘দক্ষ সংগঠক গড়ে তুলি, সংগঠনকে সংহত করি’ গোয়ালন্দ সাংবাদিক ইউনিয়নের আত্মপ্রকাশ ব্যবসায়ীদের নিয়ে মধ্যাহ্ন ভোজ করলেন হাটের ইজারাদার গোয়ালন্দ প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সভাপতি আজু, সম্পাদক শহিদুল রতন ক্লিনিকে সিজারের পর প্রসূতির মৃত্যু বাজার ব্যবসায়ীদের সাথে সাবেক এমপি খৈয়মের মতবিনিময়

গোয়ালন্দ প্রতিরোধ দিবস পালিত

গোয়ালন্দ প্রতিনিধি ॥
  • Update Time : সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৬১ Time View

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে গোয়ালন্দ সম্মুখযুদ্ধ ও প্রতিরোধ দিবস পালন করা হয়েছে। ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে নিহত শহীদদের স্মরণে, মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে জানাতে ২০১৫ সাল থেকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে বেসরকারী উদ্যোগে সম্মুখযুদ্ধ ও প্রতিরোধ দিবস পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে ২১ এপ্রিল উজানচর বাহাদুরপুর শেখ বাড়ীতে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের পাশে শহীদদের স্মরণে স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তারা অর্থের অভাবে বন্ধ থাকা স্মৃতিস্তম্ভ ভাষ্কর্য নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন এবং সরকারিভাবে প্রতিরোধ দিবস পালনের দাবী জানান।

গোয়ালন্দ সম্মুখযুদ্ধ ও প্রতিরোধ স্মৃতি মুক্তিযুদ্ধ ভাষ্কর্য স্থান উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের শেখ বাড়িতে ভাস্কর্য নির্মাণ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার শেখ জুয়েল বাহাদুরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সরকারি গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মহিত হীরা। এসময় আরো বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপি’র সভাপতি আবুল কাশেম মন্ডল, সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল ইসলাম তানসেন, গোয়ালন্দ ঘাট থানার এসআই মো. বিল্লাল, সাংবাদিক রাশেদুল হক রায়হান প্রমুখ।

ভাষ্কর্য নির্মাণ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার শেখ জুয়েল বাহাদুর বলেন, ১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল প্রতিরোধ যুদ্ধকালীন সময় সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে জানাতে যুদ্ধস্থল বাহাদুরপুর গ্রামে ২০১৫ সাল থেকে সম্মুখযুদ্ধ ও প্রতিরোধ দিবস পালন করা হয়। ২০১৮ সালে আমার বাবা ইউসুফ আলীর দেয়া জমিতে জেলা পরিষদে ২ লাখ টাকা ব্যায়ে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ কাজ শুরু হয়। পুরো কাজ শেষ করতে ২০-২২ লাখ টাকা প্রয়োজন। অর্থের অভাবে নির্মাণকাজ অসম্পন্ন অবস্থায় আছে। অথচ সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত দিবসটি পালন করা হচ্ছে না।

১৯৭১ সালের ২১ এপ্রিল বুধবার ভোরে বৃষ্টির মধ্যে পাকিস্তানের সুসজ্জিত বাহিনী নদীপথে আরিচাঘাট থেকে গানবোট, কে-টাইপ ফেরি, স্পীডবোট ও হেলিকপ্টার যোগে হানাদার বাহিনী তৎকালীন গোয়ালন্দ মহকুমা বাহাদুরপুর গ্রামে নামে। মুক্তিকামী মানুষ, ইপিআর, আনসার, ইপিআর কমান্ডার এসডিও শাহ ফরিদ, মুক্তিবাহিনীর তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধা ফকীর আব্দুল জব্বার, কেরামত আলী প্রামানিকের নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে প্রতিরোধ যুদ্ধ হয়। এদিন শহীদ হন ফকির মহিউদ্দিন, ছবেদ আলী, হাবিল মন্ডল, কবি তোফাজ্জল হোসেন, জিন্দার আলী মৃধা, নায়েব আলী বেপারী, মতিয়ার রহমান, জয়নদ্দিন ফকির, কাদের মোল্লা, হামেদ শেখ, কানাই শেখ, ফুলবরু বেগম, মোলায়েম সরদার, বরুজান বিবি, আমজাদ হোসেন, মাধব বৈরাগী, আহাম্মদ আলী মন্ডল, খোদেজা বেগম, করিম মোল্যা, আমোদ শেখ, কুরবান শেখ, মোকসেদ শেখ, নিশিকান্ত রায়, মাছেম শেখ, ধলাবরু বেগম, আলেয়া খাতুন, বাহেজ পাগলাসহ অনেকে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 daily Amader Rajbari
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com