মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৩ পূর্বাহ্ন

রাজবাড়ীতে পেঁয়াজের কদম চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮ Time View

পেঁয়াজের সাদা কদম শুকিয়ে বের হয় কালো দানা বা বীজ, যার বাজারদর আকাশচুম্বী। তাই পেঁয়াজের বীজকে বলা হয় কালো সোনা। একটা সময় পেঁয়াজবীজ পুরোপুরি আমদানিনির্ভর থাকলেও দিনে দিনে দেশে ‘কালো সোনা’খ্যাত পেঁয়াজবীজের আবাদ বাড়ছে। সারা দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনে তৃতীয়তম জেলা হিসেবে পরিচিত পদ্মা পাড়ের জেলা রাজবাড়ীর। দেশের চাহিদার প্রায় ১৬ শতাংশ পেঁয়াজ উৎপাদন করে এ জেলার কৃষকরা। পেঁয়াজ চাষের পাশাপাশি পেঁয়াজের বীজ উৎপাদনেও আগ্রহী হচ্ছে এ জেলার কৃষক।

বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায় বিস্তীর্ণ ফসলি জমি জুড়ে চাষ হয়েছে পেঁয়াজের (দানা) বীজ। প্রতি বছর অগ্রহায়ণ মাসে পেঁয়াজ বীজের চাষ শুরু হয়। ফুল পাকে চৈত্র মাসে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পেঁয়াজের ফুল ভালো হওয়া ও সার, বীজ সময়মতো পাওয়ায় কৃষক ভালো ফলনের আশা করছেন। ভালো ফলন হলে প্রতি বিঘা জমিতে দের থেকে দুই মণ পর্যন্ত দানা উৎপাদন হয়ে থাকে। প্রতি বিঘা জমিতে দানা আবাদে, সার, বীজ, সেচ, কীটনাশকসহ অন্যান্য সব মিলে খরচ হয় এক লাখ টাকার মতো। প্রতি মণ দানা ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত বাজারদরে বিক্রি হয়। তাই পেঁয়াজের দানাকে ‘কালো সোনা’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে বালিয়াকান্দি উপজেলায় ২০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে পেঁয়াজ বীজের।

ইসলামপুর ইউনিয়নের চাষি মো জিল্লু খান বলেন, আমরা এবছর ৬ পাকি জমিতে পেঁয়াজের কদম আবাদ করছি, ভাল ফুল হয়ছে আমাদের পাক্ষি প্রতি লাখ মতো টাকা খরচ হয়ছে আশা করছি ভাল পাবো।

অপর চাষি মো শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি এক পাক্ষিতে চাষ করছি এর আগে কখনো কদম চাষ করিনি, কৃষি অফিস থেকে আমাকে সর্বাত্তক সহায়তা করছে, তাদের পরামর্শ অনুযায়ী করছি আশার করছি ভাল ফলন পাবো।

বহরপুরের চাষি খোকন চন্দ্র মন্ডল বলেন, গত বছর আমি ২২শতক জমিতে পেঁয়াজের দানা আবাদ করছি, আমার খচর হয়ছে সত্তর হাজার টাকার মতো দানা পেয়েছিলাম ৪২ কেজির মতো। প্রতি কেজি চার হাজার দুইশ টাকা করে বিক্রি করেছি। খরচ বাদ দিয়ে আমার এক লক্ষ টাকা লাভ ছিল। এবার আশা করছি ফলন বেশি হবে। এক লক্ষ টকার ওপরে লাভ হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ বলেন, এবছর বালিয়াকান্দিতে ২০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের বীজ এর প্লট রয়েছে, এ মৌসুমে ২০ জন চাষিদের আমরা প্রনোদনার আওতায় বীজ সার সহ অন্যান উপকরণ দেই। তার অবস্থান চমৎকার বিভিন্ন ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত যে অবস্থা তাতে আমরা ধারনা করছি ২০ হেক্টর জমিতে প্রতি শতাংশে ২ কেজি হারে বীজ উৎপাদন করতে পারবো। আমরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি যারা পেঁয়াজ উৎপাদন করেন তারা একই সাথে পেয়াজ বীজের প্লট করেন তাহলে মাছি পোকামাকড়ের সমশ্যা হবে না। এছারা আমরা কৃষকদের হাত পরাগায়নের পরামর্শ দিচ্ছি ও নিজেরা তত্ত্বাবধান করছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2022 daily Amader Rajbari
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto kaskustoto